বিশেষ প্রতিনিধিঃ যশোর জেলার মণিরামপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
নিহতরা হলেন, যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ফাতেহাবাদ গ্রামের আব্দুল মজিদ সরদার (৭০), তার পুত্র মাহমুদ হাসান জাকারিয়া জনি (৪৩) ও মাহমুদ হাসানের চার বছরের কন্যা সেহেরিশ। আজ ভোররাত ৩টার দিকে যশোর-মাগুরা মহাসড়কের গাইদঘাট নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় আহত তিনজনের অবস্থা গুরুতর। তারা হলেন নিহত মাহমুদ হাসান জাকারিয়া জনির মা মনোয়ারা বেগম (৬০), জনির স্ত্রী সাবরিনা জাহান (৩০) ও ছেলে সামিন আলমাস (১০)। তাদের প্রথমে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ও পরে সেখান থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, নিহত ও আহতরা চুয়াডাঙ্গায় আত্মীয় বাড়ি থেকে প্রাইভেটকারযোগে যশোরের মণিরামপুরে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। রাত তিনটার দিকে যশোর-মাগুরা সড়কের গাইদঘাট নামক স্থানে প্রাইভেট কারটি রাস্তার পাশে একটি গাছের সাথে ধাক্কা খায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা হতাহতদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।
বারবাজার হাইওয়ে থানার ওসি আলমগীর কবীর দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, প্রত্যক্ষদর্শী না থাকায় দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানা যায়নি।
প্রাইভেটকারের চালক ঘুমিয়ে পড়ার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন তিনি। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলেও তিনি জানান।
নিহত মাহমুদ হাসান জাকারিয়া জনি মণিরামপুরে ইন্টারনেট ব্যবসা করতেন। তার প্রতিষ্ঠানের কর্মী রিয়াদ হোসেন জানান, জনি সোমবার পরিবারের সবাইকে নিয়ে প্রাইভেটকারে চুয়াডাঙ্গায় নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। রাতে সেখান থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় জনি, তার বাবা ও মেয়ে নিহত হয়েছেন। আহত জনির মা, স্ত্রী ও ছেলেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
রিয়াদ হোসেন বলেন, রাতেই সব আইন প্রক্রিয়া শেষ করে নিহত তিনজনের মরদেহ বাড়িতে নেওয়া হয়।
ডেইলি কলমকথার সকল নিউজ সবার আগে পেতে গুগল নিউজ ফিড ফলো করুন
দৈনিক কলম কথা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।